মেনু নির্বাচন করুন

সিভিল সার্জন অফিস

সিভিল সার্জন অফিস 

 

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু তুলে ধরা হল : –

২০১৫ : চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ পুরস্কার । জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুকি মোকাবেলায় জাতিসংঘ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এই পুরস্কারে ভূষিত করে । ২০১৫ : ITU ( Internatংional Telecom Union ) Award . ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠন ও তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়নে বিশেষ অবদানের জন্য জাতিসংঘ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এই পুরস্কারে ভূষিত করে । ২০১৫ : WIP ( Women in Parliament ) Global Award . রাজনীতিতে নারী পুরুষের বৈষম্য কমানোর ক্ষেত্রে দক্ষিন ও দক্ষিন পূর্ব এশিয়ায় নেতৃস্থানীয় ভুমিকা পালনের ২৫ মার্চ ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবায় এই পুরস্কার দেয়া হয় । ২০১৪ : শান্তিবৃক্ষ পদক ( Peace Tree Award ) । নারী ও শিশু শিক্ষা ও উন্নয়নে বিশেষ অবদানের জন্য ইউনেস্কো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এই পুরস্কারে ভূষিত করে । এছাড়াও খাদ্য উৎপাদন ও তথ্য প্রযুক্তি ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য সেপ্টেম্বর ২০১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল ইউনিভারসিটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে এই সম্মাননা সার্টিফিকেট প্রদান করে। ২০১৩ : South South Award . খাদ্য নিরাপত্তা এবং ক্ষুধা ও দারিদ্র্য বিমোচনে বিশেষ অবদানের জন্য জাতিসংঘের ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর সাউথ সাউথ কো অপেরাশন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এই পুরস্কারে ভূষিত করে । ২০১৩ : মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন প্রসূত “ একটি বাড়ি ও একটি খামার প্রকল্প ‘’ ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য তথ্য-প্রযুক্তি মেলায় ২৩ সেপ্টেম্বর সাউথ এশিয়া ও এশিয়া প্যাসিফিক “ Manthan Award” ২০১৩ পদকে ভূষিত হন । ২০১৩ : জাতিসংঘ খাদ্য ও কৃষি সংস্থা ( এফএও) দারিদ্রতা , অপুষ্টি দূর করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করায় ১৬ জুন বাংলাদেশকে “ Diploma Award “ পদকে ভূষিত করে । ২০১২ : বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য রক্ষা এবং সাংস্কৃতিক কার্যক্রম এগিয়ে নিতে বিশেষ অবদানের জন্য UNESCO ১৬ জুন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে “ Cultarul Diversity “ পদকে ভূষিত করে । ২০১১ : ২৬ জানুয়ারি ইংল্যান্ডের হাউস অব কমন্সের স্পিকার Jhon Bercow MP মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে গনতন্র পুনুরদ্ধারে দূরদর্শী নেতৃত্ব , সুশাসন , মানবাধিকার রক্ষা , আঞ্চলিক শান্তি ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সচেতনতা বৃদ্ধিতে তার অনবদ্য অবদানের জন্য Global Diversity Award প্রদান করেন । ২০১১ : South South Award . স্বাস্থ্যখাতে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে নারী ও শিশু মৃত্যুর হার কমানোর ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য International Telecommunication union ( ITU ) South South News , এবং জাতিসংঘের আফ্রিকা সংক্রান্ত অর্থনৈতিক কমিশন যৌথভাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে South South Award 2011 : Digital Devolopment Health এই পুরস্কারে ভূষিত করে। ২০১০ : MDG ( Millenium Devolopment Goal ) Award : শিশু মৃত্যুর হ্রাস সংক্রান্ত MDG-4 অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতিসংঘ এই পুরস্কার প্রদান করে । ২০১০ : ২৩ নভেম্বর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আন্তর্জাতিক উন্নয়নে অসমান্য অবদানের জন্য St.Petrsburg University প্রধানমন্ত্রীকে সম্মানসূচক ডক্টরেট প্রদান করেন । ২০১০ : ১২ জানুয়ারি বিশ্বখ্যাত “ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পদক -২০০৯” এ ভূষিত হন । ২০০৫ : জুন মাসে গনতন্ত্র , মানবাধিকার ও শান্তির পক্ষে অবদান রাখার জন্য শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান পিপলস ফ্রেন্ডশিপ ইউনিভার্সিটি অব রাশিয়া । ২০০০ : রাজনৈতিক , অর্থনৈতিক ও মানবাধিকারের ক্ষেত্রে সাহসিকতা ও দূরদর্শিতার জন্য ম্যাকন ওমেনস কলেজ যুক্তরাষ্ট্র “ পার্ল এস বাক পদক “ পদক প্রদান করে । ২০০০ : ৪ ফেব্রুয়ারি ব্রাসেলসের ক্যাথলিক বিশ্ববিদ্যালয় “Doctor Honorius Causa “ প্রদান করে । ২০০০ : ৫ সেপ্টেম্বর “ University of Bridgeport “ কানেকটিকাট , যুক্তরাষ্ট্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘’ Doctor of Humane letters “ প্রদান করে বিশ্ব শান্তি ও উন্নয়নে অবদানের জন্য । ১৯৯৯ : মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগ এবং ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি লাভ করে । ১৯৯৯ : ২০ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়া ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ‘’ডক্টর অব লজ’’ ডিগ্রি প্রদান করে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার অবদানের জন্য । ১৯৯৯ : ক্ষুধার বিরুদ্ধে আন্দোলনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ FAO কর্তৃক “ সেরেস পদক ‘’ লাভ করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । ১৯৯৮ : নরওয়ের রাজধানী অসলোয় মহাত্মা গান্ধী ফাউনডেশন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘’ এম কে গান্ধী ‘’ পুরস্কারে ভূষিত করে । ১৯৯৮: এপ্রিল শান্তি ও সৌহার্য্ক প্রতিষ্ঠায় অবদানের জন্য শেখ হাসিনাকে ”মাদার তেরেসা পদক” প্রদান করে নিখিল ভারত শান্তি পরিষদ। ১৯৯৮ : পার্বত্য চট্রগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠায় অনন্য অবদান রাখার জন্য ইউনেস্কো শেখ হাসিনাকে ”ফেলিক্স হুফে বইনি’’ শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করে। ১৯৯৮ : ২৮ জানুয়ারী শান্তি নিকেতন বিশ্বভারীর এক আড়ম্বরপূর্ণ বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনাকে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ সম্মানমূচক ”দেশিকোত্তম” উপাধিতে ভূষিত করা হয়। ১৯৯৭ : লায়ন্স ক্লাবসমূহের আন্তর্জাতিক এ্যাসোসিয়েশন কতৃক “রাষ্ট্রপ্রধান পদক’’ এ ভূষিত হন। ১৯৯৭ : রোটারী ইন্টারন্যাশনালের রোটারী ফাউন্ডেশন শেখ হাসিনাকে “পল হ্যারিস ফেলো” নির্বাচিত করে এবং ১৯৯৬- ১৯৯৭ সালের সম্মাননা মেডেল প্রদান করে। ১৯৯৭ : নেতাজী সভাষচন্দ্র বসুর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি শান্তি, গণতন্ত্র ও উপমাহদেশের দেশগুলোর মধ্যে সৌহার্য্ক স্থাপনে অনন্য ভূমিকার স্বীকৃতি স্বরূপ শেখ হাসিনাকে “নেতাজী মেমোরিয়াল পদক ১৯৯৭” প্রদান করে। ১৯৯৭ : ২৫ অক্টোবর গ্রেট বৃটেনের ডান্ডি অ্যাবার্তে বিশ্ববিদ্রালয় এক বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী “ডক্টর অব লিবারেল আর্টস” ডিগ্রি প্রদান করে। ১৯৯৭ : ১৫ই জুলাই জাপানের বিখ্যাত ওয়াসেদা বিশ্ববিদ্যালয় এক বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মাণসূচক “ডক্টর অব লজ” ডিগ্রি প্রদান করে। ১৯৯৭ : ৬ ফেব্রুয়ারী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় বৃহত্তম সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মান সুচক “ডক্টর অব লজ” উপাধি প্রদান করে।


Share with :

Facebook Twitter